রেঞ্জার গাইড

ব্যবসায় বাণিজ্যে সমৃদ্ধ বৃটিশ ভারতের প্রথম জেলা যশোর। ভৌগলিক দিক দিয়ে এ জেলার যথেষ্ঠ গুরুত্ব রয়েছে। এ শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত দক্ষিণ বঙ্গের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ সরকারি এম এম কলেজ, যশোর। ত্রিশ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী অধ্যুষিত এ কলেজটি ১৯৪১ সালে প্রতিষ্ঠার পর হতেই নিরবিছিন্নভাবে শিক্ষা বিস্তারে ভূমিকা রেখে আসছে।

১৯৬৮ সালে প্রাদেশীকরনের পর হতে কলেজটি উচ্চ শিক্ষা বিস্তারের অভিযাত্রায় এক অনন্য ও আদর্শ বিদ্যাপীঠ হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, যশোর এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর এর আওতাধীনে যথাক্রমে উচ্চ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিস্তারের কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। রূপকল্প-২০২১ বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে দেশ স্বল্প উন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পদার্পন করেছে। এখন গুণগত মানসম্পন্ন শিক্ষা ও সরকার ঘোষিত রূপকল্প-২০৪১ ও ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ বাস্তবায়নের লক্ষ্যকে সামনে রেখে অত্র কলেজের প্রতিতযশা, প্রাজ্ঞ শিক্ষক-কর্মকর্তাবৃন্দ ও কর্মচারীরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

শিক্ষা বিস্তারের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি আজ যশোর তথা দেশের আর্থসামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশের সাথে সম্পৃক্ত থেকে আমাদের জাতীয় ইতিহাসে অনেকটা স্থান দখল করে নিয়েছে। এ আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা নিয়ে অনেকেই এর মধ্যে মন্ত্রী, এমপি, রাজনীতিবিদ, সরকারি আমলা, শিল্পপতি, কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, অভিনয়-শিল্পী, ক্রীড়াবিদ ইত্যাদি গর্বিত পেশায় নিজেদের প্রতিষ্ঠা করেছে। মাঝে মধ্যে বিভিন্ন উৎসব, অনুষ্ঠানে তাঁদের স্বরব উপস্থিতি ক্যাম্পাসকে প্রানবন্ত ও মুখরিত করে তোলে।

৫২ এর ভাষা আন্দোলন, ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধসহ দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনের গৌরবজ্জ্বল ইতিহাসের গর্বিত অংশীদার এ আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি।